• ১৬ মাঘ১৪২৯  - রবিবার, জানুয়ারী ২৯, ২০২৩

কুয়াশায় ট্রেন চালানোর প্রযুক্তি নেই রেলে

কুয়াশায় ট্রেন চালানোর প্রযুক্তি নেই রেলে

শীতে ঘন কুয়াশায় ট্রেন চালানোর আধুনিক প্রযুক্তি নেই বাংলাদেশ রেলওয়েতে। ফলে ঝুঁকি নিয়ে চলছে ট্রেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঘন কুয়াশায় ট্রেনের আলো বেশি দূরে যেতে পারে না। কখনো দৃশ্যমানতা ১০-১৫ ফুটে নেমে আসে। এ কারণে প্রায়ই ঘটে দুর্ঘটনা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঘন কুয়াশা রোধে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহৃত হলেও বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে। ‘ফগ পাস সিস্টেম’, ট্র্যাক ডিটোনেটর’, ‘লাইম মার্কিং’ ইত্যাদি আধুনিক প্রযুক্তির বদলে রেলে মান্ধাতার আমলের ‘পটকা’ পদ্ধতি চালু আছে। গত এক যুগে রেলে হাজার হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া হলেও কুয়াশায় নিরাপদে ট্রেন চালানোর প্রযুক্তি কেন যুক্ত করা হয়নি তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

রেলওয়ে পরিবহণ, মেকানিক্যাল ও অপারেশন দপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলমান রেল ইঞ্জিনগুলোর মধ্যে প্রায় ৭৭ শতাংশ মেয়াদোত্তীর্ণ। এসব ইঞ্জিন চালাতে গিয়ে উনিশ থেকে বিশ হলেই চলন্ত অবস্থায় ‘ইঞ্জিন ফেল’ হচ্ছে। ইঞ্জিনের আলো নির্ধারিত আলোর চেয়ে প্রায় অর্ধেক কম। ফলে কুয়াশার সময় ট্রেন চালানো আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। ‘পটকা’ পদ্ধতিও খুব একটা কাজে আসে না। এ পদ্ধতির বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান, যেসব এলাকায় ঘন কুয়াশা দেখা দেয়, সেসব স্থানে চালক লাল-সবুজ সিগন্যাল দেখতে পান না। তাই কুয়াশা এলাকা নির্ধারণের জন্য লাইনের ওপর পটকাগুলো ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে বসিয়ে দেওয়া হয়। যখন ট্রেন ওই পটকার ওপর দিয়ে চলে তখন বিকট শব্দ হয়। এতে চালক-গার্ড বুঝতে পারেন, সামনে ঘন কুয়াশা রয়েছে। তখন ট্রেনের গতি কমিয়ে সাবধানে চালানো হয়। তবে একাধিক ট্রেনের চালক জানান, নামেই এই ‘পটকা’ পদ্ধতি চালু আছে। কোনো কোনো স্থানে লাইনে পটকা বসালেও ফোটে না। শব্দও পাওয়া যায় না।

ভ্রমন
বিনোদন