ম্যাডামের নামে স্লোগান দেওয়ার কারনে গ্রেফতার করা হয়েছে ১৭ জনকে: আশরাফ পাহেলী

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

আশরাফ পাহেলী।
সাংগঠনিক সম্পাদক টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি ও সাধারণ সম্পাদক জেলা যুবদল

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শরীরের অবস্হা দীর্ঘদিন যাবৎ ভাল যাচ্ছিলোনা শুনা যাচ্ছিল। আজকে তার প্রমান মিলেছে। সকালে নাজিমুদ্দিন রোডের পরিত্যক্ত নির্জন কারাগার থেকে পিজি হাসপাতালের উদ্দেশে কাওকে না জানিয়ে তাকে হঠাৎ করে বের করা হলে সাথে সাথে জানাজানি হয়ে যায় যে বিশ্ব সীকৃত মাদার অব ডেমোক্রেসি ইতি মধ্যে জনপ্রিয়তার দিকদিয়ে বিবেচনা করলে ন্যালসন মেন্ডেলার মত হয়ে উঠেছেন।

সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে পিজি হাসপাতালের উদ্দেশে নেওয়া হচ্ছে। তাৎক্ষনিক ভাবে যুবদল ছাত্রদল সহ বিভিন্ন স্তরের নেতা কর্মিগণ সেখানে উপস্থিত হতে থাকে এবং ম্যাডাম জিয়ার পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। সময় বারার সাথে সাথে জনতার সংখ্যা বারতে থাকে। সরকার জনবিচ্ছিন্ন হওয়ার কারনে বেগম জিয়ার জনপ্রিয়তাকে ভয়পেয়ে পুলিশ লেলিয়ে দেয় বিএনপির নেতা কর্মি তথা জনগণের উপর লাঠিপেটা করার জন্য। পুলিশের যে কাজ সে কাজ তারা করেছে এবং ১৭ জন নেতা কর্মিকে গ্রেফতার করেছে। এখন পুলিশের কাছে প্রশ্ন আপনারা যাদের কে গ্রেফতার করলেন তারা এমন কি অপরাধ করেছিলো? যে কারনে তাদেরকে গ্রেফতার করলেন। তারাতো কোনো গাড়ীতে ঢিল মারে নাই, বা আপনাদের শরীরে ধাক্কা দেয় নাই, তাহলে কিশের জন্য গ্রেফতার করলেন। ও খালেদা জিয়ার পক্ষে স্লোগান দিয়েছে সেইটা অপরাধ ধরেছেন? আপনাদের জানানাই এটা একটি অবৈধ সরকার? এই সরকারের কোনো অধীকার নাই রাষ্ট্রের মাতাব্বরী করার। আপনারা জানেননা রাষ্ট্রের মালিক জনগণ? সরকার নির্ধারন করার ক্ষমতা সংবিধান দিয়েছে জনগণকে। ১৫৪ জন সংসদ সদস্য হয়েছে ভোট ছাড়া আবার ৫ জানুয়ারী ভোটের দিন কেন্দ্রে কুত্তা সুয়েছিলো মানুষ যায়নাই।
পুলিশ ভাইয়েরা ভুলে যান কেনো জনগণের টেক্সের টাকায় আপনাদের বেতন হয় আপনারা চাকরী করেন জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করনের। আশা করবো আপনারা এর পর থেকে আপনাদের অফিসারদের অন্যায় আদেশ মানবেননা কারন হচ্ছে ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় বাবা অন্যায় কাজ করলে সেটা তার সন্তানের উপর বর্তায় আপনারা আজকে অন্যায় ভাবে মানুষের সন্তানদের নির্যাতন করবেন কালকে আপনার সন্তানের উপর কোনোনা কোনো ভাবে সেটা বর্তাবে। কাজেই অন্যায় নির্দেশ মানা থেকে বিরত থাকুন। সরকার তো নির্বাচন দিতে ভয় পাচ্ছে ৫ জানুয়ারীর মত নির্বাচন এই দেশে আর কোনোদিন হবেনা। আর সেটা যদি না হয় তা হলে তো আওয়ামীলীগের আর আশা নাই বিএনপি নিশ্চিত সরকার গঠন করবে। তখনত তাদের কাওকেই খুজে পাওয়া যাবেনা। সরকারের কেও কেও স্বপ্ন দেখছে এই সংসদেরই মিয়াদ বারিয়ে নিয়ে আর কিছুদিন থেকে লুটপাটের বুজা ভারী করা যায়। যদি সে স্বপ্ন দেখেও থাকেন তাহলে লাভ নাই জনগণ ঝারুপেটা করে তারাবে তাদেরকে। পরিশেষ বলবো দেশের স্বার্থে জনগণের স্বার্থে বেগম খালেদা জিয়া সহ সকল রাজ বন্দীদের মুক্তি দিন নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করুন জনগণ যাকে ভোট দিবে সেই ক্ষমতায় যাক। দেশ এগিয়ে যাক বিশ্বে মাথা উচু করে দাড়াক।

Share.