‘এরশাদের বেদনা কেউ বোঝেনি’

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

আমার মনের বেদনা বন্ধু ছাড়া জানেনা/ কোন দেশে গেলে পাবো তারে/ না দেয় সুখে ঘুমাইতে/ না দেয় ঘরে থাকিতে/ দেওয়ানা হইয়াছি তার বাঁশির সুরে’। কণ্ঠশিল্পী শাম্মী আকতারের এই গানের বেদনার মতোই যেন গৃহপালিত বিরোধী দল জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মনের বেদনা কেউ অনুভব করতে পারেনি। গতকাল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার সে কথাই সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরলেন। এরশাদের বেদনা কেউ অনুভব করেনি বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, মামলায় আমাদের নেতা এরশাদও জর্জরিত। এরশাদকে বিনা দোষে ৬ বছর অন্ধকার কারাগারে বন্দী রাখা হয়েছিলো। সকালের খাবার বিকালে দেয়া হয়েছে। ইফতার দেয়া হয়েছে রাত ১০ টায়। কি অমানুষিক যন্ত্রনা দেয়া হয়েছে। তখন আমাদের বেদনায় কেউ ব্যথিত হয়নি। আশা করছি এবার মামলায় ন্যায় বিচার পাব।

আগামী ২৪ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় পার্টির মহাসমাবেশকে সফল করার লক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন জাপা মহাসচিব বলেন, এরশাদের বেদনা কেউ না বুঝলেও আমরা মানুষের দূরবস্থা দেখলে ব্যথিত হই। আমরা জয়ের জন্য ৩’শ আসনে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। এ কারণে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করবো। দেশ, জনগণ ও জোটের স্বার্থে আমরা ক্ষমতায় যেতে চাই। দীর্ঘ ২৭ বছর জেল, জুলুম ও নির্যাতন ভোগ করে এ পর্যন্ত এসেছি। আমাদের নেতা এরশাদের বেদনা কেউ অনুভব করেনি। আমরা ৯ বছর দেশ শাসন করেছি। এরশাদের মামলাটি আজও চলছে, আশা করি ন্যায় বিচার পাব। আমাদের সময় খুন, রাহাজানি, হত্যা, গুম, চাঁদাবাজি, নৈরাজ্য, অসহিঞ্চু পরিস্থিতি ছিল না। মানুষের জীবনের নিরাপত্তা ছিল। এসব কথাই সমাবেশে বলা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, সাইদুর রহমা টেপা, ইসলামি মহাজোটের মহাসচিব এমএ মতিন ও বিএমএ’র চেয়ারম্যান সিকান্দার আলী মণি, দলের ভাইস চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহির, নুরুল ইসলাম নুরু, আলমগীর সিকদার লোটন, যুগ্ম মহাসচিব জহিরুল আলম রুবেল, সাংগঠনিক সম্পাদক আমির উদ্দিন ডালু, ইসহাক ভূইয়া, ফখরুল আহসান শাহাজাদা, শারমিন পারভীন লিজা, এমএ রাজ্জাক খান, আবু সাঈদ স্বপন, মিজানুর রহমান মিরু প্রমূখ।

Share.