এলডিসি থেকে উত্তরণের চ্যালেঞ্জ নিয়ে বললেন অর্থমন্ত্রী

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ‘স্বল্পোন্নত দেশ বা এলডিসি থেকে উত্তরণে প্রথম চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে নামমাত্র সুদে যে অর্থ আমরা নিই, তা বোধ হয় আর পাওয়া যাবে না। এই ব্যাপারে আমাদের সাবধান থাকতে হবে।’

আজ বুধবার সচিবালয়ে আয়োজিত ‘স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের অভিযাত্রায় বাংলাদেশ’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের অভিযাত্রাকে আমরা উদ্‌যাপন করছি, কারণ সারা দুনিয়ায় আমাদের বদনাম—আমরা গরিব।’ এ সময় সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাদের চেয়ে এই কথাটা বেশি সহ্য করেছি আমি। কারণ, আমি তো অর্থ সংগ্রহে যাই। তবে বাংলাদেশ ইচ্ছাকৃতভাবে এই এলডিসি থেকে উত্তরণ ঘটাতে যাচ্ছে, তা তো নয়, বিশ্বব্যাংক মর্যাদা দিচ্ছে। আর এটাও তো ঠিক—আমরা পারি। আমরা নিচে ছিলাম, এখন ওপরে উঠছি। আরও ওপরে উঠব। আর উৎসব করছি এই কারণে যে এটা আমাদের জাতীয় ঐতিহ্য। আমরা উৎসবপ্রিয় জাতি।’

এখন কি তাহলে আমরা স্বল্পোন্নত দেশ, নাকি উন্নয়শীল দেশ?

সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘জাতিসংঘের হিসাবে আমরা কান্তিকালীন সময়ে (ট্রানজিশনাল পিরিয়ডে) আছি।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব গাজী শফিকুল আজম প্রমুখ।

আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘একটা প্রশ্ন উঠেছে যে এলডিজি থেকে উত্তরণের পর অনেক জায়গায় আমাদের সুবিধার দিকগুলো সংকুচিত হয়ে যাবে, কিন্তু অনেক সম্ভাবনার দুয়ারও খুলবে।’

রাজনৈতিক নেতৃত্বের কারণে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে জানিয়ে নজিবুর রহমান বলেন, এটা বাংলাদেশের জন্য একটা বড় ঘটনা।

১৫ মার্চ জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিপিডি) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এডিসি ক্যাটাগরি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের যোগ্যতা অর্জনসংক্রান্ত ঘোষণা দেয়।

Share.