স্বাধীনতার ঘোষণা কাতালোনিয়ার

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

স্পেন থেকে আলাদা হয়ে কাতালোনিয়া স্বাধীনতা ঘোষণা করলো। শুক্রবার (২৭ অক্টোবর) স্পেনের প্রধানমন্ত্রী কাতালোনিয়ার স্বশাসন অধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্য জাতীয় সংসদে ভাষণ দেন৷ এরপরই কাতালোনিয়া প্রাদেশিক আইনসভা স্বাধীনতা ঘোষণা করে দিল৷ আগেই তারা জানিয়েছিল, স্পেন যদি সংবিধানের বলে কোনওরকম জোর খাটায় তারা বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘোষণা করে দেবে৷

শুক্রবার অঙ্গরাজ্য কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার দাবি উড়িয়ে সেখানকার প্রাদেশিক আইনসভা বিলোপ করার পক্ষেই সওয়াল করলেন স্প্যানিশ প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাজোয়৷ পার্লামেন্টে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, অবিলম্বে কাতালোনিয়ার প্রাদেশিক সরকার ভেঙে দেওয়া হবে৷ কাতালোনিয়ায় পুরোপুরি কর্তৃত্ব জারি করতে সংবিধানের ১৫৫ নম্বর ধারা জারি করা হচ্ছে। এই ধারা অনুযায়ী সেখানে সরাসরি কেন্দ্রের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে৷ এরকম হলেই আলোচনার পথ ছেড়ে স্বাধীনতার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কাতালোনিয়া৷ প্রাদেশিক সরকারের প্রধান কার্লোস পুজদেমন আগেই একথা জানিয়েছিলেন৷

এর আগে, কাতালোনিয়ার রাজধানী বার্সেলোনাতেই সাত লাখ মানুষ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় সরকার তা নিশ্চিত করেনি। বার্সেলোনার ৫০টির বেশি সড়ক অবরোধ করেছে বিক্ষোভকারীরা। ফলে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ট্রেড ইউনিয়ন সূত্র জানিয়েছে, শহরের সমুদ্র বন্দর স্থবির হয়ে পড়েছে। পর্যটন কেন্দ্রগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বার্সেলোনার বৃহত্তম পাইকারি খাদ্যের বাজার মার্কাবার্না লোক সমাগম শূন্য। এখানে দিনভর ৭৭০টি খাবার দোকান বন্ধ রয়েছে।

শহরের স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল বন্ধ হয়ে পড়েছে বা ন্যূনতম পর্যায়ে কার্যক্রম চলছে। রোববার গণভোটে পুলিশি বাধার বিষয়টি বিক্ষোভকারীরা অধিকার ও স্বাধীনতা লঙ্ঘন হিসেবেই দেখছে।

ইস্যু কাতালোনিয়ার স্বাধীনতা৷ সেই দাবিতে সম্প্রতি বারে বারে সংবাদ শিরোনামে এসেছে স্পেন৷ যদিও কাতালানদের স্বাধীনতার দাবিকে বিচ্ছিন্নতাবাদ হিসেবে দেখে স্পেন সরকার৷ স্বাধীনতা ইস্যুতে সম্প্রতি কাতালান সরকার গণভোটে অংশ নেয়৷ সেই ভোটকে অবৈধ বলে জানায় স্পেন সরকার৷ গণভোটে স্বাধীনতার পক্ষে বিপুল সমর্থন পড়েছিল৷

Share.