কাতার দখলে সৌদি-আমিরাত পরিকল্পনা!

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

অবরোধ আরোপের সময় কাতার দখলের উদ্দেশ্য ছিল সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের। গত শুক্রবার এমন অভিযোগ করেছেন কাতারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন মোহাম্মদ আল আতিয়াহ। ওয়াশিংটন পোস্টকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে কাতারি মন্ত্রী বলেন, তাদের উপসাগরীয় ওই দুটি প্রতিবেশী দেশ কাতারকে অস্থিতিশীল করতে সব ধরনের চেষ্টা করেছে। তবে তাদের উদ্দেশ্য ব্যর্থ করে দিয়েছে কাতার। আল আতিয়াহ বলেন, তাদের উদ্দেশ্য ছিল কাতারে সামরিক হস্তক্ষেপ।

এখনো এ ধরনের কোনো হুমকি আছে কি না সে বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাকৃতিক সম্পদে পূর্ণ ছোট্ট দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বলেন, আমরা সে উদ্দেশ্য ব্যর্থ করে দিয়েছি। তবে সঙ্কটের শুরুতে তাদের এমন উদ্দেশ্যই ছিল। তারা উপজাতীয়দের উত্তেজিত করতে উসকানি দিয়েছে। মসজিদগুলোকে আমাদের সরকারের বিরুদ্ধে ব্যবহারের চেষ্টা করেছে। আমাদের নেতাদের সরিয়ে সেখানে কিছু পুতুল নেতাকে বসাতে চেয়েছিল ওই দুটি দেশ।

কাতারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত হামলার যে ছক করেছিল তাতেই হিসাবে ভুল ছিল। গত বছরের ৫ জুন হঠাৎ করেই কাতারের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দেয় সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মিসর। সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ এনে দেশটির সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন ও সব অবরোধও আরোপ করা হয়। সমুদ্র, স্থল ও আকাশপথে পণ্য আনা-নেয়া বন্ধ করে দেয়া হলে চরম সঙ্কটে পড়ে দেশটি। যদিও পরবর্তীতে ইরান ও তুরস্কের সহযোগিতায় সেই সঙ্কট ভালোভাবেই মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছে তারা।

সিসির হুঁশিয়ারি প্রত্যাখ্যান মিসরের বিরোধী দলগুলোর

রয়টার্স

মিসরের উচ্চপর্যায়ের কয়েকজন ব্যক্তিসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর জোট প্রেসিডেন্ট আব্দুল ফাত্তাহ আল-সিসির বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন। সিসি তার শাসনকে যারা চ্যালেঞ্জ করবেন তাদের হুঁশিয়ার করেছিলেন।

গত সপ্তাহের শুরুতে সিসি বলেছিলেন, কেউ যদি সাত বছর আগের অবস্থা তৈরি করতে চায় এবং মিসরের নিরাপত্তাব্যবস্থাকে হুমকির মুখে ফেলে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ২০১১ সালে যে অবস্থায় প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারকের দীর্ঘ শাসনের পতন হয়েছিল, তা আর কখনো সৃষ্টি হবে না।

সিসির বক্তব্যের পর সিভিল ডেমোক্র্যাটিক মুভমেন্ট নামে রাজনৈতিক দলগুলোর জোট বলছে, ‘মিসরের ভোটারদের মাঝে ভীতি তৈরি করতেই এ বক্তব্য দেয়া হয়েছে।

গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত মিসরের প্রথম প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ মুরসিকে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরিয়ে দেয়ার বছরখানেক পর ২০১৪ সালে পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় বসেন সিসি। আগামী ২৬ থেকে ২৮ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের মাধ্যমে খুব সহজেই আবার ক্ষমতায় বসার চিন্তা করছেন সিসি।

আগেই মিসরের বিরোধী দলগুলো মার্চের নির্বাচন বয়কট করার ঘোষণা দিয়েছেন। সেনাবাহিনীর কাছ থেকে পূর্বানুমতি না নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দেয়ার অভিযোগ এনে আগেই আনানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সিসি এখন এমন একজনের সাথে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন যাকে সবাই সিসি সমর্থক বলেই চেনেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘নিরাপত্তা রক্ষার নামে প্রার্থীদের রাজনৈতিক অধিকার হরণ করা অসাংবিধানিক এবং এতে কোনোভাবেই নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হবে না।’

উৎসঃ dailynayadiganta

Share.