খেজুর গুড়ের উপকারিতা

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

চলছে শৈত্যপ্রবাহ, শীতে কাঁপছে জনজীবন। ইতিমধ্যে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে খেজুরের গুড়সহ নানা ধরনের গুড়। শীতের ঐতিহ্যের একটি অংশ হলো খেজুরের রস এবং খেজুরের গুড়। শীতকালের কথা আসলেই রস-গুড়-পাটালীর কথা চলে আসে। গবেষকরা জানিয়েছেন গুড়ে উপকার অনেক। কি কি উপকার জানতে চান ?‌ নিচে বিস্তারিত দেওয়া হল–

১. কার্বোহাইডেড জাতীয় খাবার আমাদের শরীরে এনার্জি প্রদান করে। যেমন চিনি। কিন্তু অনেক সময় হঠাৎ করে তৈরি হওয়া এনার্জি আমাদের শরীরে রক্তে চিনির পরিমান বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু বেশি পরিমানে এই ভাবে দেহে চিনির পরিমান কমে যাওয়া ও বেড়ে যাওয়ার ফলে অনেক সময় আমাদের অন্যান্য অঙ্গ যেমন আমাদের কিডনি, চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এছাড়া আমাদের রক্তচাপ বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। গুড় খেলে এই সমস্যাটি হয় না। কারণ গুড়ের রক্তের সাথে মিশতে ও শরীরে এনার্জি তৈরির প্রক্রিয়াটি কিছুটা ধীরে কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী হয়। ফলত রক্তে গ্লুকোজ হঠাৎ করে বেশি কমে বা বেড়ে যেতে পারেনা। ফলত আমাদের শরীরের অন্যান্য অঙ্গগুলির কোনো ক্ষতি হয় না।

২. গুড় সাধারণত গরম হয়। তাই শীতকালে প্রতিদিন গুড় খেলে সর্দি কাশি থেকে আরাম দেয়। এছাড়া গুড় আমাদের শরীরকে গরম রাখে শীতকালে বা আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে ভাইরাল ফাইবারের সংক্রমণের থেকে আমাদের রক্ষা করে। এছাড়া এস্তেমা রোগীদের জন্যও গুড় অত্যন্ত উপকারী।

৩. প্রিমেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম বা ‌পিএমএস সমস্যা সাধারণত কমবেশি সমস্ত মহিলারা ভোগেন। প্রতিদিন গুড় খেলে শরীরে হরমোনের সমতা ফেরাতে সাহায্য করে। এছাড়া গুড় আমাদের শরীরে এন্ডোরফিন্স অর্থাৎ হ্যাপি হরমোনের বৃদ্ধি ঘটায়। ফলে গুড় ‌পিএমএস এর হাত থেকে রক্ষা করে।

৪. শরীরে আয়রণের অভাব অনেকের ‌দেখা যায়। এর ফলে শরীরে হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ায় নানারকম সমস্যার সৃষ্টি হয়। গুড়ে প্রচুর পরিমানে আয়রণ থাকে। প্রতিদিন অল্প পরিমানে গুড় খেলে আমাদের শরীরে প্রয়োজনীয় আয়রণের অভাব পূরণ করতে সাহায্য করে।

৫. খাবার পর প্রতিদিন যদি একটু করে গুড় খেলে খাবার হজম করতে সাহায্য করে। গুড় আমাদের হজমে সাহায্যকারী এনজাইমের শক্তিকে বাড়িয়ে দেয়।

Share.