ডেসটিনির চেয়ারম্যান-এমডির তদবিরকারীকে বের করে দিলেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

ডেসটিনি গ্রুপের এমডি ও ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেডের চেয়ারম্যানের জামিনের শর্ত সংশোধন চেয়ে করা আবেদনের শুনানির বিষয়ে কথা বলতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির সঙ্গে তাঁর চেম্বারে দেখা করতে এসেছিলেন এক ব্যক্তি। আর এই ঘটনায় ভীষণ বিব্রত হয়েছেন বিচারপতি আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা। পরে ওই ব্যক্তিকে নিজের চেম্বার থেকে বের করে দেন তিনি। সেইসঙ্গে এই মামলার শুনানিতে অংশ নিতেও অপরাগতা প্রকাশ করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমিন ও ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেনের জামিনের শর্ত সংশোধন চেয়ে করা আবেদনের শুনানির একপর্যায়ে এসব কথা জানান ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি। তবে শুনানি শেষে আবেদনটি খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ।
বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। অপর সদস্যরা হলেন- মো. ঈমান আলী, হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও মির্জা হোসাইন হায়দার।
এতে দুই হাজার ৮০০ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে ডেসটিনির দুই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জামিন নিতে পারবেন মর্মে আদালতের আদেশ বহাল থাকল বলে জানিয়েছেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান।
শুনানিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা বলেন, ‘ডেসটিনির পক্ষে এক ব্যক্তি আমার নিজস্ব চেম্বারে এসে দেখা করে ডেসটিনির বিষয়ে কথা বলতে চায়। এতে বিব্রত হয়ে তাকে বের করে দিয়েছি। তাই এ মামলা শুনানিতে ও বিব্রতবোধ করছি।’
এই কথা বলে মামলার শুনানি করতে অপরাগতা প্রকাশ করেন আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা। ফলে পরে সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ শুনানি করেন।
আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন খুরশীদ আলম খান। তিনি সাংবাদিকদের জানান, আপিল বিভাগ অর্থ পরিশোধের শর্তে তাঁদের জামিন দিয়েছিলেন। সেই শর্ত সংশোধন চেয়ে তাঁরা আবেদন করেছিলেন। তা খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।

Share.