শাপলা চত্বরে আক্রমণ কালরাতের বর্বরতার চেয়েও ভয়াবহ: হেফাজতে ইসলামী

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার শাপলা চত্বরে হেফাজতের ওপর আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার আক্রমণ ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতের বর্বরতার চেয়েও ভয়াবহ বলে মন্তব্য করেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব জুনাইদ বাবুনগরী।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন। হেফাজত মহাসচিব বলেন, যারা রক্ত দিয়েছেন, তাদের রক্ত বৃথা যেতে পারে না। হেফাজতে ইসলাম যে ১৩ দফা দাবি নিয়ে সেদিন ময়দানে নেমেছিল, সে দাবি আজও পূরণ হয়নি।

তিনি বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত হেফাজত আন্দোলন চালিয়ে যাবে। ইমান রক্ষার আন্দোলনে যারা শাহাদতবরণ করেছেন, তাদের আমরা ভুলে যেতে পারি না। এ ঘটনার বিচার বাংলার সবুজ চত্বরে একদিন হবে।

বিবৃতিতে জুনাইদ বাবুনগরী আরও বলেন, ‘২০১৩ সালে কতিপয় নাস্তিক যখন আল্লাহ, রাসূল, কোরআন-হাদিস অবমাননা এবং ইসলামের প্রতীকগুলোর ওপর জঘন্যতম আক্রমণ করে, তখনই এদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে হেফাজতে ইসলাম ৫ মে রাজধানী ঢাকা অবরোধ করেছিল। যা বাংলাদেশের হক্কানি ওলামা-পীর-মাশায়েখ, আশেকে রাসূল ও দেশপ্রেমিক ইমানদার জনতার জন্য রক্তঝরা এক ঐতিহাসিক দিন।’

তিনি বলেন, ‘সারা দিন অবরোধে অবস্থান নেয়া হেফাজত কর্মীরা যখন ক্ষুধা, পিপাসায় ক্লান্ত তখন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মতিঝিলের আশপাশের বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে বিটঘুটে অন্ধকার তৈরি করে ইতিহাসের বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। এই নজিরবিহীন হত্যাকাণ্ড হালাকু খান, চেঙ্গিস খানের নৃশংসতাকেও হার মানিয়েছে।’

Share.