মমতাজ এমপি হলে! শিক্ষিতদের মূল্যায়ন করবে কে?

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

মমতাজ এমপি হলে! শিক্ষিতদের মূল্যায়ন করবে কে?
প্রযুক্তি নির্ভর বিভিন্ন দেশ আমার দেশে বিনিয়োগ করতে চায়, মিল কলকারখানা করতে আগ্রহী কিন্তু আমরা এসব পলিসি বুঝিনা, আমাদের মূর্খতাপূর্ন পররাষ্ট্রনীতি তাদেরকে সুযোগ করে দিচ্ছেনা, কর্মক্ষম বিশাল জনগোষ্ঠীকে আমরা বেকার রেখে দিচ্ছি, নেতাদের পিছে ঘুরার জন্য আর মিছিলে পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি করার জন্য।

বিদেশীরা আমার দেশে কলকারখানা করলে লাভ?

১. কর্মক্ষম বেকার বিশাল জনগোষ্ঠী সেসব কল কারখানায় কাজ করার সুযোগ পাবে, সরকারি চাকুরীর আশায় এভাবে জুতা ক্ষয় করবেনা।
২. এসব কলকারখানার কাচামাল বিদেশ থেকে আসবে এবং পন্য প্রস্তুত করে বিদেশেই রপ্তানী করবে, এতে আমার দেশের রোড ট্রান্সপোর্ট সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করবে, রোড ট্রান্সপোর্ট সমুদ্রবন্দরে সরকারের রাজস্ব এবং অনেক শ্রমিকের কাজের ব্যবস্থা হবে।

৩. যেসব প্রযুক্তি যেসকল পন্য এরা তৈরি করবে, সেগুলো আমাদের তরুণপ্রজন্মের কাছে শিক্ষনীয় হবে, এবং এগুলো নিয়ে গবেষণা করবে কাজে লাগাবে ভবিষ্যতে একজন উদ্যোক্তা তৈরি হবে।
৪. রাস্তার মোড়ে বসে আড্ডা দেয়া বেকার ছেলেটি যখন কাজে যোগ দেবে, তখন কারও বোনের দিকে তাকাবেনা ইভটিজিং করবেনা, ব্যাগ ছিনতাই করতে যেয়ে কারও কোলের শিশু রাস্তায় পড়ে মারা যাবেনা।

৫. একটা লোক যখন নিয়মতান্ত্রিক ভাবে কাজ করবে টাকা ইনকাম করবে, তখন সে সুশৃঙ্খল সংসার গঠন করবে, মাদক গ্রহণ করবেনা গলা কেটে মা’কে হত্যাও করবেনা, সামাজিক অবক্ষয় অনেকটাই কমে যাবে।
৬. সরকার প্রতিবছর মাদক নিয়ন্ত্রণ, সামাজিক অবক্ষয়, আইনশৃঙ্খলা অপরাধ প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ রাখার জন্য খুব বড় অংকের টাকা খরচ করে, তখন সেটাও কমে আসবে।
৭. বেকারত্বদের কাজের সুযোগ করে দিলে রাস্তার পাশে রেলস্টেশনে মানুষ ভাসমান থাকবেনা, রাস্তাঘাটে পিতৃপরিচয়হীন টোকাইদের জন্মও হবেনা।

দেশটা পরিচালিত হচ্ছে অদক্ষ অপরিপক্ক হিংসুটে লোকদের দ্বারা, কি করলে কি হবে সেটা নিজেরাই জানেনা, যে দেশে যাত্রাপালার মমতাজ এমপি হয়, সে দেশে শিক্ষিতদের কে মূল্যায়ন করবে? এজন্য রবিন্দ্রনাথ দম্ভভারে বলেছিলো মূর্খদের দেশে আবার কিসের বিশ্ববিদ্যালয়।

Share.