যুক্তরাষ্ট্র-ভারতের কাছে নির্বাচনে সমর্থনের অনুরোধ করিনি: কাদের

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে কোনো কথা বলিনি। কারো, কোনো দলের বিরুদ্ধে কোন নালিশ করিনি। আসন্ন নির্বাচনে কোনো প্রকার সমর্থন বা এ সংক্রান্ত কোনো অনুরোধ এই দু’দেশের কাছে করেনি।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে মহান মে দিবস উপলক্ষে আদমজী জুট মিলস চালু সংগ্রাম পরিষদ ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন তিনি।
গতকাল সোমবার রাতে মার্কিন দূতাবাসে আওয়ামী লীগ নেতাদের যাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে ওবায়দুল কাদের একথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ভারতে গিয়ে আমাদের নির্বাচন সংক্রান্ত কোনো কথা বলিনি। আমরা জাতীয় স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি। বলেছি তিস্তা চুক্তি, রোহিঙ্গা এবং জঙ্গিবাদ সমাধানের কথা।

 

ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, একইভাবে আমি বলছি, আমেরিকান রাষ্ট্রদূতের দাওয়াতে আমরা ডিনারে গিয়েছিলাম। এর জন্যও তিনি (মার্শা বার্নিক্যাট) অনেক আগে থেকে দাওয়াত দিয়ে রেখেছিলেন। কারও বিরুদ্ধে কোনো নালিশ আমরা করিনি। বিএনপিকে নিয়ে জনসভা ও অন্যান্য প্রোগ্রামে যা বলি তা ভারত বা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বলিনি।
সেতুমন্ত্রী বলেন, ভারতের বিজেপির সেক্রেটারি জেনারেল একটা সরকারি প্রোগ্রামে বাংলাদেশে এসেছিলেন। আমার সাথে দেখা হয়নি। কিন্তু আমাদের অনেকে তার সঙ্গে ব্রেকফাস্ট করেছিলেন। সেখানে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আমাকে একটা ডেলিগেশন নিয়ে ভারত সফরে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। পার্টি টু পার্টি রিলেশন উন্নয়নে। ওই সময় একটা সুইটেবল টাইম মেলানো যায়নি বলে এইবার গিয়েছিলাম। এখানে অন্য কোন উদ্দেশ্য ছিল না। সফরের সময় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। কিন্তু আমরা একবারও আমাদের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয় ও দল নিয়ে কথা বলিনি।

তিনি বলেন, জনগণ চাইলে কেউ আমাদের হটিয়ে দিবে তার কোনো সুযোগ নেই বলে আমার বিশ্বাস।
শ্রমিকদের অসহায় অবস্থা দূর করতে সরকার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে জানিয়ে কাদের বলেন, আদমজির মত বিগ সাইজ না হলেও ছোট একটা মিল করে শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেত্রী কথা দিয়েছেন। তিনি কথা দিলে তা রাখেন। এজন্য তাকে আবারো ক্ষমতায় আনতে হবে।
দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এখন ক্ষমতায় আছি বলে আরো ৫০ বছর থাকবো, এ ধরনের অহঙ্কার করা ঠিক না। তাই আমি আশা করি আমাদের খুব সংযতভাবে বলতে হবে। দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। মাইক পেলেই আবেগে যা খুশি তা বলা যাবে না।
আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন নৌ পরিবহন মন্ত্রী ও শ্রমিক নেতা শাজাহান খান প্রমুখ।

Share.