‘তারেক এখন জনগণের নেতা’

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

তারেক রহমান এই মুহুর্থে বাংলাদেশের নাগরিক নন কি নন তাতে জনগণের কিছু আসে যায় না। তারেক রহমান আওয়ামী লীগের বিপক্ষে একজন অন্যতম প্রধান নেতা। বিএনপির লক্ষ কোটি নেতা কর্মী ও শুভাকাঙ্কীর নেতা তারেক রহমান। সম্প্রতি জনগণ অত্যান্ত উৎবিগ্নের সঙ্গে লক্ষ করছে সরকার তারেক রহমানকে ধ্বংশ করার জন্য উঠে পরে লেগেছে।

ইতিমধ্যে সরকার প্রধানসহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী, নেতা ও সরকারের সুবিধাভোগীরা এক বাক্যে গত কয়েকদিন যাবত লাগাতার তারেক রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আক্রোশ এবং হুমকিপূর্ন বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন। এতে প্রমানিত হয় বর্তমান সরকারের আমলে বাংলাদেশ তারেক রহমানের জন্য নিরাপদ নয়। তারেক রহমান বাংলাদেশে এখন আসলে তাকে শুধু আইনের নামে হেনস্থাই করবে না, যেমন করছে দেশমাতা খালেদা জিয়াকে, বরংচ তার জীবনহানী হওয়ার হাজারগুন সম্ভাবনা আছে। তাই বিএনপির লাখো কোটি সদস্যদের স্বার্থে এবং তাদের নেতার জীবন রক্ষার স্বার্থে এই মুহুর্থে দেশে আসার কোন প্রয়োজন নাই।

এমনকি দেশের নাগরিকত্ব রাখারও প্রয়োজনও নাই বলে জনগণ মনে করে। তারেক রহমানের নিরাপত্তা এখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। তারেক রহমান বাংলাদেশের নাগরিক থাকুক বা না থাকুক কিন্তু তারেক রহমান বাংলাদেশের জনগণের কাছে একজন অন্যতম জনপ্রিয় নেতা। নেতা তারেক রহমান দেশের নাগরিক কিনা তা জনগণের কাছে কোন গুরুত্ব বহন করে না।

দেশের জনগণ সুষ্ট নির্বাচন ও গনতন্ত্রের জন্য দেশমাতা খালেদা জিয়া এবং জননেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে সংগ্রাম করে যাচ্ছে। যতদিন পর্যন্ত দেশমাতা খালেদা জিয়া মুক্ত না হবেন এবং তারেক রহমানের জন্য বাংলাদেশ নিরাপদ না হবে ততদিন পর্যন্ত এই সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। গনতন্ত্র উদ্ধারের সংগ্রামে জনগণকে জয়ী হতেই হবে।

পরিশেষে আমি বলতে চাই দেশ ও জাতীর এই ক্রান্তীলগ্নে দেশমাতা খালেদা জিয়ার মুক্তিসংগ্রামে এবং তারেক রহমানের জন্য বাংলাদেশকে নিরাপদ করার সংগ্রামে আমি এখন বর্তমান পরিবর্তিত অবস্থায় তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি অবিচল আস্থা রেখে সকল আন্দোলনে সংগ্রামে সক্রীয়ভাবে অংশ গ্রহন করবো। আসুন আমরা সবাই মিলে এই আন্দোলনে শরিক হই। মানুষ জাগছে। জনগণ ক্ষেপে উঠছে। সামনে নতুন আলো দেখা যাচ্ছে। অন্ধকার ফিকে হয়ে আসছে। মানুষ পরিবর্তন চায়।

দেশের স্বাধিনতা সার্বভোমত্ব হুমকির মুখে। প্রতিবেশিরা জনগণের বিপক্ষে তাদের কায়েমী স্বার্থে দেশে স্বৈরশাসনের উত্থানে সহযোগিতার হাত বাড়াচ্ছে, স্বৈরশাসনের পক্ষে তারা শাসকদেরকে উৎসাহিত করছে , ইসলামীক বিশ্বাস ও মুল্যবোধকে বাধাগ্রস্থ ও নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে, বিবেধের রাজনীতির বিষবাস্প ছড়ানো হচ্ছে, দেশকে পুলিশী রাষ্ট্রে রুপান্তরিত করে জনগণের মৌলিক অধিকার, সভা, সমাবেশ করার অধিকার হরন করা হচ্ছে।

আজকে সারা দেশ দলীয়করনের প্রবল দাপটে সাধারন একজন যুবক চাকুরী পাওয়া থেকে বন্ছিত হচ্ছে, সরকার দলের বাইরে বা সরকারী দলের আনুগত না হলে একজন সাধারন সরকারী কর্মচারী চাকুরীতে পদৌন্নতিসহ সকল প্রকার নুনতম সুযোগ সুবিধা থেকে বন্ছিত হচ্ছে, এমন কি সরকারের অনুগত না হলে নুনতম ব্যাবস্যা বানিজ্য করা থেকেও সাধারন মানুষকে বন্ছিত করা হচ্ছে। দেশের প্রতান্ত অন্চলে একজন গ্রাম পুলিশের চাকুরী পেতে, গ্রামে বয়স্কভাতা, দুস্থ মাতার কার্ড, বিধবা ভাতা পেতে হলেও সরকারী দলের সদস্য বা অনুগত হতে হয় না হলে পাওয়া যায় না।

এই অত্যাচার থেকে জনগণ মুক্তি চায়। জনগণ পরিবর্তন চায়। জনগণ প্রস্থুত। অপেক্ষা শুধু ডাকের। এই ডাক রোজার পরে নয়, রোজার আগে চায় জনগণ।

Share.