বিএনপি-জামাতি তরুণদের এদেশে চাকরি হবে না’:শাহজাহান

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী শক্তি তরুণ সমাজ কখনো মেধাবী হতে পারে না মন্তব্য ক‌রে নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান ব‌লে‌ছেন, বিএনপি জামাত মতাদর্শের তরুণদের এদেশে কোন চাকরি হবে না। আমরা কোন রাজাকারের বাচ্চার দায়িত্ব নিতে পারবো না, চাকরি দিতে পারবো না।

‌তি‌নি ব‌লেন, কোটার মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান প্রতিবন্ধী ও জেলাভিত্তিক কোটায় যেভাবে চাকরি দেয়া হতো সেখানে মেধাবীদের বেছে বেছে চাকরি সুযোগ দেয়া হতো। কোটা সুবিধা দিয়ে মেধাহীনদের চাকরিতে সুযোগ করে দেয়া হতো না।

রবিবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটিতে (ডিআরইউ) মুক্তিযোদ্ধা সংসদ আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, যারা কোটা আন্দোলনের নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বাসায় ভাংচুর করে দেশে অস্থিরতা করেছে তাদের অন্য মতলব ছিল। তারা বিএনপি জামায়াতের মতাদর্শের লোক। সরকার পতন করা ছিল তাদের মূল উদ্দেশ্য। এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একেবারে কোটা সুবিধা বাতিল করে দিয়েছেন।

সাধারণ ছাত্র সংরক্ষণ অধিকার আন্দোলনের নেতা রাশেদ খানের একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের টকশোতে অংশগ্রহণ করে কথা বলা প্রসঙ্গে শাহজাহান খান বলেন, তারা কি করতে চায়? কাদের ইঙ্গিতে কোটা সংস্কার আন্দোলন করতে মাঠে নেমেছে তা পরিষ্কার হয়েছে। তা আপনারা দেখেছেন দেশবাসী দেখেছে।

রাজাকারদের মালিকানার প্রতিষ্ঠানের টাকা জঙ্গিবাদে ব্যবহৃত হয় দাবি করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে রাজাকারদের কোন প্রকার স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, ব্যাংক, বীমা কিছুই করতে দেয়া হবে না। যা আছে সরকার তাদের যত প্রতিষ্ঠান তা নিজের নিয়ন্ত্রণে নিবে। কারণ এসব প্রতিষ্ঠানে আয়ের টাকা দেশে জঙ্গিবাদের পিছনে খরচ করা হয়। আমরা মুক্তিযোদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি, আমরা আওয়ামী লীগ জানি কি করতে হবে। দেশবাসীর কি লাগবে। আমরা এখনও শেষ হয়ে যাইনি। দেশবাসী শেখ হাসিনার উপর আস্থা রাখুন তিনি নিরাশ করবেন না।

বিএনপির সমালোচনা করে নৌ মন্ত্রী বলেন, নিজেদের মুরদ নাই অন্যের ঘাড়ে ভর করে আন্দোলন করে তারা সরকার পতন করতে চায়।

অনুষ্ঠানের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ইসমত কাদের গামা বলেন, দেশকে কোটা সংস্কারের নামে অকার্যকর রাষ্ট্র করতে পাঁয়তারা চলছে। শেখ হাসিনা আগামী নির্বাচনে যদি ক্ষমতায় না আসে তাহলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হবে মুক্তিযোদ্ধাদের। আগামী নির্বাচন হলো ৭০’র নির্বাচনের মতো একটি চ্যালেঞ্জ। একে মোকাবিলা এবং শেখ হাসিনাকে বিজয়ী করতে হবে।

মুক্তিযোদ্ধা ওসমান আলী বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। কোটা নিয়ে আমরা আন্দোলন করিনি। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধাদের যারা অপদস্থ করছে, তাদের চিহ্নিত করে প্রতিহত করতে হবে।

মুক্তিযোদ্ধা সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, কোটা সংস্কারের নামে যে নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে তাদের বিচারের সম্মুখিন করতে হবে। শেখ হাসিনা যা সিদ্ধান্ত নেবেন তাতে সব মুক্তিযোদ্ধার সমর্থন রয়েছে।

Share.