‘মুক্তিযুদ্ধকে নির্বাচনে ব্যবহার করলে আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবে’

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

যারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের মীমাংসিত বিষয়গুলোকে নিয়ে অস্বীকার ও বিতর্ক করে, মুক্তিযুদ্ধকে নির্বাচনী ইশতেহার হিসেবে ব্যবহার করে তারা ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস ও ৭ মার্চ স্বাধীনতার সত্যিকারের ঘোষণা, যা বাঙালি জাতীয়তাবাদের সংগ্রামের ঘোষণা হিসেবে সর্বাত্মক স্বীকৃত। সেই দিবস এবং যারা মুজিনগর দিবস পালন করে না তাদের রাজনীতি হচ্ছে ইতিহাসের মীমাংসিত বিষয়গুলোকে অস্বীকার করা। আর ইতিহাসের মীমাংসিত বিষয়কে নিয়ে যারা বিতর্ক ও অস্বীকার করে তারা ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবে।’

মঙ্গলবার (১৭ এপ্রিল) সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে মুজিবনগর দিবস উপলক্ষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা বারবার লক্ষ্য করছি, বাংলাদেশের বড় একটি দল তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করে না। তারা মুক্তিযুদ্ধকে নির্বাচনী ইশতেহারে লোক দেখানো প্রতিশ্রুতি হিসেবে গোচরীভূত করে। যারা নির্বাচন এলে লোক দেখানো হিসেবে ব্যবহার করে তাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রতি কতটা কমিটমেন্ট আছে- এটা এখানেই আমাদের একটা সংশয় ও প্রশ্ন থেকে যায়।’

এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, আব্দুল মতিন খসরু, দফতর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুস সবুর প্রমুখ।

এরপর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

Share.